সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

শেষ মুহূর্তের গোলে ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশের প্রতিশোধ

 

প্রতিশোধ, মধুর প্রতিশোধ হয়তো একেই বলে! ম্যাচশেষে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন ভারতীয় ফুটবলাররা। অথচ সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা আগেই নিশ্চিত করেছে ভারত। দিনটি তাদের জন্য হওয়ার কথা ছিল উৎসবের। তাতে পানি ঢেলে দিয়েছেন প্রীতি-আলপিরা। ৭ গোলের থ্রিলারে ভারতকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

ভূটানের চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে ইনজুরি টাইমে প্রীতির গোলে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত হয়।

এর আগে ম্যাচের শুরুতেই গোল দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে গিয়েছিল। প্রথম মিনিটে মামনি চাকমার লম্বা পাসে পূর্ণিমা মার্মা হেডের সাহায্যে গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন (১-০)। ৭ মিনিটে আনুশকা কুমারির শট ক্রসবারে লেগে ফেরত আসে। দুই মিনিট পর রক্ষনভাগের ভুলে আনুশকা কোনাকুনি শটে ভারতকে সমতায় ফেরান (১-১)। ৩৪ মিনিটে আলপি আক্তারের গোলে আবারো এগিয়ে যায় বাংলাদেশ (২-১)।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বাংলাদেশের লিড বাড়ান প্রীতি। লম্বা পাস থেকে দারুন ফিনিশিংয়ে প্রীতি নিজের প্রথম গোল করেন (৩-১)। ম্যাচের নাটকীয়তা তখনো বাকি। ৬৫ মিনিটে প্রীতিকা বর্মন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেঘলা রানীর মাথার উপর দিয়ে বল জালে পাঠালে ভারত ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় (৩-২)। ৮৯ মিনিটে আরো একটি দুরপাল্লার শটে বাংলাদেশ গোল হজম করে। জুলান নংমাইথেমের গোলে এবার ম্যাচে সমতা ফেরায় ভারত (৩-৩)।

ইনজুরি টাইমে প্রীতির শট ভারতীয় গোলরক্ষক মুন্নীর হাত ফসকে পোস্টে লেগে জালে প্রবেশ করলে দারুন এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অর্পিতার দল।

ছয় ম্যাচে পাঁচ জয়ে ভারতের সংগ্রহ ছিল ১৫। সম সংখ্যক ম্যাচে বাংলাদেশ চার জয়, এক ড্র ও এক পরাজয়ে ১৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছিল। ভূটানের সাথে ড্র না করলে বাংলাদেশেরও সংগ্রহে থাকতো ১৫ পয়েন্ট। তখন হেড টু হেড ও গোল ব্যবধানে শিরোপা নির্ধারিত হতো।

উল্লেখ্য, প্রথম রাউন্ডে ভারত ২-০ গোলে বাংলাদেশকে পরাজিত করেছিল।

এনএনবাংলা/