সাম্প্রতিক
লঞ্চের ভাড়া বাড়ল, রেলের এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি সাধারণ গ্রাহকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক? ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বারিধারায় নির্মাণশ্রমিককে গাড়িচাপা: অবশেষে গ্রেপ্তার সেই কিশোর চালক ট্রাম্প আমাদের ‘সন্ত্রাসী’ বলেছেন, অথচ আমরাই সন্ত্রাসের শিকার: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান অবশেষে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ এনওসি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল চুয়েট, চলছে দ্বিতীয় দিনের শাটডাউন বোয়িং থেকে আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, আজ চুক্তি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
Skip to content

ডামুড্যায় বিদ্যালয়ে মাঠ নেই, খেলাধুলা বন্ধের পথে প্রায়।

ডামুড্যা (শরীয়তপুর):

ডামুড্যা উপজেলায় কনেশ্বর ইউনিয়নের আলতা কুরি গ্রামে আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সামনে বিশাল ডোবার কারণে শিক্ষক ও কোমলমতি ছাত্র/ছাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ৯ই নভেম্বর রবিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়  ডোবার পানি বিদ্যালয় চত্বরে জমে থাকায় প্রত্যাহিত সমাবেশ ,খেলাধুলা ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করা অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিদ্যালয়ে ছাত্রী সংখ্যা ২০০ জনের  মত এবং ৯ জন

শিক্ষক এমপিও ভুক্ত, ৩ জন রয়েছে কর্মচারী ।উপস্থিতির ৭০% এর বেশি, তবে ডোবা থাকার কারণে ছাত্রীরা খেলাধুলা করতে পারছে না। এতে করে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে ও ছাত্রীরা পিছিয়ে আছে। আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর পাশেই রয়েছে ২৯ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক মোঃ এনাম মুন্সী  বলেন দুই ইস্কুলের  একটি মাঠ স্কুল নিচু হওয়ার কারণে বছরের ৯ মাস ডোবা থাকে তাই ছাত্র-ছাত্রীরা খেলাধুলা করতে পারছে না খেলা না করার কারণে আমাদের বাচ্চাদের  শারীরিক বিকাশের নানাবিদের সমস্যা সৃষ্টি হয় খেলাধুলা করতে পারলে লেখাপড়া মান ভালো হয়। আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মুজিবুর রহমান জানান আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠ না থাকায় স্কুলের বারান্দায় প্রত্যাহিত সমাবেশ সকল কার্যক্রম  করতে হচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় খেলাধুলা অংশগ্রহণে পিছিয়ে পড়েছে। তাই আমরা আশা করছি প্রশাসন আমাদের এই বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের জন্য নজর দেন। নতুন এড হক কমিটির সদস্য মোঃ আবুল ঢালী বলেন আমি স্কুলের মাঠ ভরাট করার জন্য বিভিন্ন অফিসে আলাপ করেছি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম ফারুক ইত্তেফাক কে বলেন আমি  প্রধান শিক্ষককে বলেছি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি আবেদন লিখে জমা দেন।