সাম্প্রতিক
২৫ বছর আগে ১ অক্টোবরের নির্বাচনে যেভাবে বড় জয় পেয়েছিল বিএনপি অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো ‘অভিযান’ চালানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগপত্র গৃহীত, সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা ক্যালিফোর্নিয়ায় বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ অঙ্গরাজ্যে কেন নয়? চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ১৫ বছর চালাবে বিদেশি অপারেটর, চুক্তি অনুমোদন অক্টোবরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কা ৪৬ হাজার কোটি টাকায় মেট্রোরেলের ভূগর্ভস্থ-উড়ালপথ নির্মাণের অনুমোদন ৪৫৯২ জনবল নিয়ে সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, থাকবেন ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট অবরোধে অস্থির ফ্রান্স: শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, বন্ধ ১৬০টির বেশি স্কুল একটি দলের ‘অপশক্তি’ অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ে স্বস্তি নদীতীরের মানুষের

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে তীর সংরক্ষণ কাজ চলমান থাকায় স্বস্তি ফিরেছে নদীতীরবর্তী মানুষের মাঝে। বিশেষ করে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজের মান ভালো হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে দীর্ঘদিনের ভাঙন আতঙ্ক কিছুটা হলেও কমেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের গাবুর হেলান, কালির মেলা, রামহরি এলাকাসহ তিস্তার ভাঙনপ্রবণ বিভিন্ন স্থানে বর্তমানে তীর সংরক্ষণে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে। নদীভাঙনের কবল থেকে বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষায় এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা নদীতে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে মোট ৪০টি প্যাকেজের মাধ্যমে প্রায় ১৪ কিলোমিটার তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮০ কোটি টাকা। কাজের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ২৫০ কেজি বালুভর্তি জিও ব্যাগ এবং ১৭৫ কেজি ওজনের সিমেন্ট ব্লক। তবে কোথাও কোথাও বালু ভর্তি জিও ব্যাগে বালু কম দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে তিস্তার ভাঙন রোধের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের কারণে কাঙ্ক্ষিত সুফল মেলেনি। তবে এবার কাজের গুণগত মান ভালো হওয়ায় তারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।

গাবুর হেলান এলাকার তিস্তা তীরবর্তী বাসিন্দা শহিদ মিয়া বলেন, “আগে ভাঙন রোধের কাজ ভালো না হওয়ায় অনেক মানুষের বসতভিটা আর ফসলি জমি নদীগর্ভে চলে গেছে। কিন্তু এবার কাজের মান ভালো হওয়ায় ভাঙনের ঝুঁকি অনেকটাই কমেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মন্টু মিয়া বলেন, “তিস্তার ভাঙনে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। এবার জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ ভালো হয়েছে। এতে মানুষের ভাঙনের টেনশন অনেকটাই দূর হয়েছে।

ওই এলাকার গৃহবধূ আম্বিয়া বেগম বলেন, “প্রতি বছর তিস্তার ভাঙনে আমাদের ঘুম হারাম হয়ে যায়। বসতভিটা নিয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকি। এবার বাঁধের কাজ ভালো হওয়ায় মনে হচ্ছে আমরা কিছুটা নিরাপদে থাকতে পারবো, চাষাবাদও রক্ষা পাবে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মঈদুল ইসলাম বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ম মেনেই তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ট্রাসফোর্স গণনা ও বুয়েট টেস্টের ভিত্তিতে ঠিকাদারকে বিল প্রদান করা হয়। এরপরও কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।