সাম্প্রতিক
বিএনপির ৪৮ বছরে মহাসচিব যারা, কে কতদিন দায়িত্বে ছিলেন ঋণের চাপে সরকারি বেতন দেওয়াও কঠিন হতে পারে: বিদ্যুৎমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ দিতে না পারলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না: নাহিদ বিভক্ত হয়ে অস্তিত্ব সংকটে মুসলিম ব্রাদারহুড, নেতৃত্বে তীব্র কোন্দল ভারতের জায়গায় ফিফা আসিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ! সংগ্রাম, ত্যাগ ও মানুষের ভালোবাসায় অমর এক জীবন ধানমন্ডি ৩২-এ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ভিডিও ধারণ ও শিঙাড়া বিলির অভিযোগে মারধর, আটক ২ হরমুজ প্রণালিকে শিগগিরই মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করা হবে: ট্রাম্প রাজধানীর কোনো সিএনজি ফিলিং স্টেশনে নেই গ্যাস, চালকদের ভোগান্তি হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু ৯০০ ছাড়াল
Skip to content

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাওনা টাকা নিয়ে সংঘর্ষ গড়াল তৃতীয় দিনে—নিহত ১, আহত অর্ধশতাধিক

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা টাকা নিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে শুরু হওয়া সংঘর্ষ তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষে নতুন করে আরও প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন। তিন দিনের সংঘর্ষে আহতের সংখ্যা অর্ধশতাধিক ছাড়িয়েছে। এ ঘটনায় নিহত হয়েছেন খাদিম মিয়া নামে এক ব্যক্তি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জেলার সরাইল উপজেলার ধর্মতীর্থ হাওরে মাছ ধরার জন্য প্রায় দেড় বছর আগে সূর্যকান্দি গ্রামের মোশাররফ হোসেন ধর্মতীর্থ গ্রামের খাদিম মিয়ার কাছ থেকে বাকিতে চাঁই কেনেন। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও পুরো টাকা পরিশোধ না করায় দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।

গত রোববার সন্ধ্যায় এ বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উভয় গ্রামের লোকজন লাঠিসোঁটা, দা-বল্লম ও ইটপাটকেল নিয়ে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিকচ্ছ বাজার এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে নিহত হন খাদিম মিয়া।

সোমবার বিকেলে নিহতের মরদেহ দাফনের পর আবারও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে কালিকচ্ছ বাজার এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও দফায় দফায় রাত ৮টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলতে থাকে। এ সময় বাজারের অন্তত ১০ থেকে ১২টি দোকানে লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুই পক্ষ আবারও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দফায় দফায় বেলা ১টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ওবায়দুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এনএনবাংলা/