ইশতেহার, ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব ও আমাদের বাস্তবতাঃ একটি নির্মোহ বিশ্লেষণ
অনেক চড়াই-উৎরাই ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। সরকার গঠনের পরপরই মাননীয় সরকার প্রধানের নেয়া ১৮০ দিনের পরিকল্পনাভিত্তিক পদক্ষেপ আমাদেরকে আশান্বিত করেছে যেমনটি করেছিলো নির্বাচনের আগে দেয়া নির্বাচনী ইশতেহার।
একটি কল্যাণমুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার ৯টি প্রধান প্রতিশ্রুতি ও ৫১ দফা পরিকল্পনা বিশিষ্ট এই ইশতেহারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ খাত কে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি বিবেচনা করে একটি ভবিষৎমুখী, গতিশীল ও প্রযুক্তিগতভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। ইশতেহারে দশ লক্ষ কর্মসংস্থান, সবার জন্য দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য
ইন্টারনেট,জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা ও নাগরিক তথ্য সুরক্ষা, প্রযুক্তিভিত্তিক ক্যাশ-লাইট অর্থনীতি এবং ডিজিটাল সার্বভৌমত্বের কথাও বলা হয়েছে। শুধু তাই-ই নয় লক্ষ্য হিসেবে প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের সাধারন জনগণ, শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, আইটি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদেরকে সেবা প্রদান করা এবং দেশকে বিশ্বব্যাপী অন্যতম “প্রযুক্তি নেতৃত্ব” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্নের কথাও বলা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো এই “প্রযুক্তি নেতৃত্ব” কারা দিবে কিংবা
কিভাবে নিশ্চিত করা হবে সেটা এখন একটা বড় প্রশ্ন।
নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা, তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নাগরিকের তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, প্রযুক্তি উদ্ভাবনের প্রসার এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার রয়েছে। এসব অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারি আইসিটি জনবল একটি ডিজিটাল ওয়ার্ক ফোর্স হিসেবে দারুনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে। বর্তমানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও সংস্থায় দুই হাজারেরও অধিক আইসিটি পেশাজীবী কর্মরত রয়েছেন। তারা সফটওয়্যার উন্নয়ন, সাইবার নিরাপত্তা, ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা, নেটওয়ার্ক পরিচালনা, ডিজিটাল সেবা প্রদান, তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তিগত অবকাঠামো তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। প্রযুক্তিভিত্তিক নাগরিক সেবা প্রদানে এবং সরকারে ই-গভর্ন্যান্স স্বপ্ন বাস্তবায়নে “The show must go on” নীতিতে এসব কর্মকর্তা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের ই-গভর্ন্যান্স স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রধান সারথি এসব জনবল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত হওয়ায় সমন্বিত নেতৃত্ব, দক্ষতার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি মানবসম্পদ পরিকল্পনা গড়ে ওঠেনি। ফলে নির্বাচনী ইশতেহারে প্রযুক্তি নেতৃত্বের যে কথা বলা হয়েছে তা এসব জনবলের একত্রীকরণ না করে কিভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেটা এখন ভেবে দেখার সময় এসেছে।
বিএনপি’র ইশতেহারে বলা “ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব” ব্যাপারটা কিন্তু হঠাৎ করে আসা কোনো শব্দগুচ্ছ নয়। এর ব্যাপকতা ও বিস্তৃতি বিশাল। ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব বলতে দেশের তথ্য, ডেটা,প্রযুক্তি,ডিজিটাল অবকাঠামো এবং প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর নিজস্ব নিয়ন্ত্রণকে বোঝায়। দক্ষ ও সমন্বিত সরকারি আইসিটি নেতৃত্ব ছাড়া জাতীয় ডেটা সুরক্ষা, ক্লাউড অবকাঠামো, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করা কঠিন এবং ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য বিলম্বিত হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। সরকারি আইসিটি পেশাজীবীরা একক কোনো মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে থাকলে একটি ডিজিটাল ওয়ার্ক ফোর্স হিসেবে কাজে লাগতে পারতো কিন্তু দূর্ভাগ্যজনকভাবে সেটা অদ্যাবধি হয়নি।
আমাদের কাছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ছিলো, আমাদের প্রয়োজনিয়তা আছে এবং তথ্য প্রযুক্তিকে আমরা অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে দেখলেও অতি প্রয়োজনীয় এই কাজটি এখনও
হয়নি। সরকারি আইসিটি জনবল কে একক প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে আনয়নের নীতিগত সিদ্ধান্তের অভাবে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন Systemic Dilemma’র কারণে বিলম্বিত হবার আশঙ্কা আছে। ইশতেহারে নাগরিকের তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে। প্রশ্ন হলো আমরা কাদেরকে দিয়ে তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো? শুধু সিস্টেম সিকিউরিটি বা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা দিয়ে তো আর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না? মেশিন বা মেকানিজমের পিছনে তো দক্ষ মানুষ লাগবে? সে মানুষ আমাদের কই? একটা দপ্তরে একজন-দুইজন আইসিটি কর্মকর্তা বিচ্ছিন্নভাবে আছেন যাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান ও শেখার আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও সুযোগ ও অনুকূল পরিবেশের অভাবে সেভাবে তৈরি হতে পারছেনা ফলে তাদের একার পক্ষে কি এই নাগরিক তথ্যের নিরাপত্তা বিধান করা সম্ভব হবে? বর্তমানে সাইবার হামলা, তথ্য ফাঁস এবং ডিজিটাল প্রতারণার ঝুঁকি বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধি পাচ্ছে।
দক্ষ, প্রশিক্ষিত এবং উদ্দীপনাপূর্ণ সরকারি আইসিটি জনবল ছাড়া নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন। যদি প্রযুক্তি খাতে কর্মরত সরকারি জনবল প্রয়োজনীয় মর্যাদা ও ক্যারিয়ার উন্নয়নের সুযোগ না পায়, তবে দক্ষতা ধরে রাখা এবং নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ফলে নির্বাচনী ইশতেহারে নাগরিকের তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের যে কথা বলা হয়েছে তার বাস্তবায়ন
নিশ্চিতভাবেই ঝুঁকির মুখে পড়বে।
সরকারি আইসিটি জনবলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে আইটি শিল্প বিকাশে সরকারি নেতৃত্ব দুর্বল হবে। দেশীয় সফটওয়্যার শিল্প, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য সরকারের নীতিগত ও কারিগরি নেতৃত্ব প্রয়োজন। শক্তিশালী সরকারি আইসিটি নেতৃত্ব ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে প্রযুক্তি নীতি বাস্তবায়ন, মান নির্ধারণ এবং আন্তঃপ্রতিষ্ঠান সমন্বয় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। আর প্রযুক্তি খাতে সরকারি নেতৃত্ব দুর্বল হলে জাতীয় পর্যায়ে দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগও কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোবে না ফলে ইশতেহারে ঘোষিত প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য বাস্তবায়ন ব্যাহত হবার আশঙ্কা আছে। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে মেধা পাচার বৃদ্ধি পাবে।
সরকারের প্রযুক্তি নীতিতে যখন সরকারি আইসিটি পেশাজীবীরা তাদের দক্ষতা অনুযায়ী মূল্যায়ন, পদোন্নতি ও পেশাগত উৎকর্ষতা বিকাশের সুযোগ পান না, তখন অনেকেই বিদেশ বা বেসরকারি খাতে চলে যেতে আগ্রহী হবেন। এমনটা হয়েছেও যে সরকারি চাকরি ছেড়ে বিদেশ গমন এমনকি দেশেই বেসরকারি খাতে চলে গেছেন। সম্প্রতি এ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকলে এ ধরনের বাস্তবতার ফলে রাষ্ট্র দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা সমৃদ্ধ মানবসম্পদ হারাতেই থাকবে যা জাতীয় প্রযুক্তি সক্ষমতা বৃদ্ধির পথে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা।
বাংলাদেশ দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, বিগ ডাটা, ই-গভর্ন্যান্স এবং ডিজিটাল অর্থনীতির যুগে রাষ্ট্রের সক্ষমতা অনেকাংশে নির্ভর করে তার প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও মানব সম্পদের ওপর। একটি আধুনিক, নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের জন্য দক্ষ সরকারি আইসিটি জনবল এখন কৌশলগত জাতীয় প্রয়োজন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সরকারি আইসিটি জনবলের বিচ্ছিন্ন ব্যবস্থাপনা, নেতৃত্বের সীমাবদ্ধতা
এবং একক পেশাগত প্রশাসনিক কাঠামোর অভাবের কারণে এই বিশাল মানবসম্পদের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের আলোকে বিদ্যমান আইসিটি জনবলের জন্য যদি একটি বিশেষায়িত পেশাভিত্তিক ও সমন্বিত "আইসিটি সার্ভিস" প্রতিষ্ঠা করে প্রযুক্তি জনবলকে একটি একক প্রশাসনিক ও পেশাগত কাঠামোর আওতায় আনা সম্ভব হয় তাহলে সমন্বিত প্রযুক্তি নেতৃত্ব গড়ে উঠবে যা ইশতেহারে লক্ষ্যপূরণে সহায়ক হবে।
আইসিটি সার্ভিস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সরকারের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা তৈরি হবে। জাতীয় পর্যায়ে প্রযুক্তিনির্ভর নীতি বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হবে। শুধু তাই নয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আইসিটি জনবলকে দক্ষতার ভিত্তিতে ব্যবহার করা যাবে যা রিসোর্স অপটিমাইজেশন নিশ্চিত করবে। প্রয়োজনানুযায়ী বিদেশী পরামর্শক নির্ভর বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি দেশীয় সক্ষমতা তৈরি করা সম্ভব হবে যা সরকারি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করবে। একটা একক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন থাকায় পেশাজীবী হিসেবে প্রশিক্ষণ এবং পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করা হলে সরকারি আইসিটি জনবলের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে। দক্ষ আইসিটি নেতৃত্বের মাধ্যমে সরকারি ডিজিটাল সেবাগুলো আরও নির্ভরযোগ্য, নিরাপদ ও ব্যবহারবান্ধব হবে। ফলে নাগরিকরা দ্রুত এবং মানসম্মত সেবা পাবেন।
দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরির ফলে রিসোর্স অপটিমাইজেশন নিশ্চিত হবে অর্থাৎ যে দপ্তরে যে ধরনের দক্ষ জনবল দরকার সরকার সে দপ্তরে সেই দক্ষতা সম্পন্ন জনবল পদায়ন নিশ্চিত করতে পারবে। একটি সুসংগঠিত ক্যারিয়ার কাঠামো মেধাবী তরুণদের সরকারি আইসিটি খাতে আকৃষ্ট করবে এবং বিদ্যমান দক্ষ জনবলকে ধরে রাখতে সহায়তা করবে। এতে করে বিদেশে মেধা পাচার যেমন কমবে তেমনই মেধাবীদের উদ্ভাবনে দেশ ও জাতি সমৃদ্ধ হবার সুযোগ পাবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ব্লকচেইন, ডাটা অ্যানালিটিক্স এবং ডিজিটাল গভর্ন্যান্সের মতো ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব, নাগরিকের তথ্য নিরাপত্তা, আইটি শিল্পের বিকাশ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিএনপি'র নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণ হবে।
নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সাধারণ জনগণের আস্থার প্রতিদান দিতে সরকারের এখন উচিত প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান এবং ডিজিটাল সার্বভৌমত্বের মতো অতিগুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কৌশলগত কর্মপন্থা নির্ধারণ করা। প্রযুক্তিভিত্তিক এসব নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকারি আইসিটি জনবল কে আগে একটা একক নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। সম্মানজনক ও মানসম্মত মেধাবী সমাজ বিনির্মানে সরকারি আইসিটি সেক্টরে বৈষম্য ও হতাশা দূরীকরণ খুবই জরুরী। দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত এসব আইসিটি জনবলের কর্মস্পৃহাকে কাজে লাগাতে হলে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আইসিটি সার্ভিস বাস্তবায়ন সময়ের দাবী। আইসিটি সেক্টরে সরকারি নেতৃত্ব গড়ে তুলতে এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আইসিটি জনবলকে একক প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত করা সরকারের জন্যই একান্ত প্রয়োজন। এই প্রয়োজন মেটাতে সরকার কতটা আন্তরিক সেটা সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের
মাধ্যমে বোঝা যাবে তবে সাধারণ মানুষের হয়রানিমূক্ত সেবা পাবার আকাঙ্ক্ষা ও “সবার আগে বাংলাদেশ” নীতি বাস্তবায়নে এবং ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব নিশ্চিতে “আইসিটি সার্ভিস” বাস্তবায়ন যে সময়ের দাবী তা বোধকরি পাঠক মাত্রই একমত পোষণ করবেন।
লেখক: আইসিটি পেশাজীবী ও যুগ্ম সচিব, গভর্নমেন্ট আইসিটি অফিসার্স ফোরাম
(মতামত লেখকের নিজস্ব)
