সাম্প্রতিক
আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরও ৪০ জোর করে শিক্ষকের পদত্যাগের বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের ৫০০ টাকার ভারত-মিয়ানমারের ইলিশ ‘পদ্মার’ নামে বিক্রি ১৪০০-১৮০০ টাকায় খালি ‘ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া’ না করে নিজের দেশের চিন্তা করেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফারইস্টের নজরুলের ৫৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির খোঁজে দুদক চাঁদের ছবিতে মার্কিন পতাকা, ট্রাম্প লিখলেন ‘চাঁদ আমাদের’ ঢাকা সিটিতে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, উত্তরে আসিফ মাহমুদ-দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতকে টপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র
Skip to content

করোনা রিপোর্ট কেলেঙ্কারি: জেকেজির সাবরিনা-আরিফের ১১ বছরের জেল

করোনাভাইরাস পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির দায়ে জেকেজি হেলথকেয়ারের সিইও আরিফুল হক চৌধুরী, তার স্ত্রী ডা. সাবরিনা চৌধুরীসহ আট আসামির সবাইকে ১১ বছরের কারাদ- দিয়েছে আদালত। ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন মঙ্গলবার দুপুরে আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। আসামিদের সবাই এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার ঢাকার একটি আদালত জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারপারসন,সিইও এবং ছয়জনকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য হাকিম মো. তোফাজ্জল হোসেন এই রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, জেকেজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল হক চৌধুরী, তার স্ত্রী ডা. সাবরিনা শারমিন হুসাইন এবং নির্বাহীরা হলেন- শফিকুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, তার স্ত্রী তানজিনা পাটোয়ারী, সাঈদ চৌধুরী, জেবুন্নেছা রিমা ও বিপ্লব দাশ।

 

২০২০ সালের ১২ জুলাই এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে সাবরিনা কারাগারে রয়েছেন। তার স্বামী এবং অন্যদের ২৩ জুন গুলশানের জেকেজি হেলথকেয়ারের কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জেকেজি হেলথকেয়ার যথাযথ পরীক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ না করেই ২৭ হাজার করোনভাইরাস রিপোর্ট দেয় যার মধ্যে বেশিরভাগই জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে।

গত ২০ আগস্ট ঢাকার একটি আদালত মামলায় সাবরিনাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। ৩১ আগস্ট দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র রাখার অভিযোগে সাবরিনার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করে নির্বাচন কমিশন।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, সাবরিনা দুটি এনআইডিতে তার স্বামীর দুটি ভিন্ন নাম ব্যবহার করেছেন এবং একটিতে তার বয়স কমিয়েছেন।

—ইউএনবি