সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

আইরিশদের বড় ব্যবধানে সিরিজ হারাল বাংলাদেশ

 

মুশফিকুর রহিমের ঐতিহাসিক শততম টেস্টে জয়ের ভিত গড়ে উঠেছিল চতুর্থ দিনেই। শেষ দিনে দরকার ছিল মাত্র চারটি উইকেট। তবে আইরিশ ব্যাটার কার্টিস ক্যাম্ফারের দুর্দান্ত প্রতিরোধ স্বাগতিকদের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ করে। সকালের সেশনে ড্রয়ের স্বপ্নও জাগিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব বাধা পেরিয়ে মিরপুর টেস্টে ২১৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে মুশফিককে স্মরণীয় উপহার দিল নাজমুল হোসেন শান্তর বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ২-০ ব্যবধানে সিরিজও নিজেদের করে নিল টাইগাররা।

৫০৯ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে ৬ উইকেটে ১৭৬ রান তুলেছিল আয়ারল্যান্ড। শেষ দিনে ক্যাম্ফার এক প্রান্ত ধরে রেখে ২৫৯ বল খেলে অপরাজিত ৭১ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। তাঁকে ভালো সঙ্গ দেন গ্যাভিন হোয়ে, ১০৪ বলে ৩৭ রান করে দলকে কিছুটা আশা দেখান তিনি।

তবে দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের স্পিনাররা আবার ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেন। ক্যাম্ফারকে ছাড়া অন্য প্রান্তে দাঁড়াতে পারেননি কেউই। তাইজুল ইসলাম ও হাসান মুরাদ একে একে বাকি চার উইকেট তুলে নিলে ১১৩.৩ ওভারে ২৯১ রানে শেষ হয় আয়ারল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস। দুজনই শিকার করেন ৪টি করে উইকেট।

এর আগে পুরো ম্যাচেই আধিপত্য দেখায় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকরা সংগ্রহ করে ৪৭৬ রান। জবাবে তাইজুল ইসলামের চার উইকেটের নৈপুণ্যে আয়ারল্যান্ড থামে ২৬৫ রানে।

দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ তুলে ৪ উইকেটে ২৯৭ রান এবং ইনিংস ঘোষণা করে। মাহমুদুল হাসান জয় ৬০, সাদমান ইসলাম ৭৮ এবং মুমিনুল হক ৮৭ রান করেন। শততম টেস্টে দুই ইনিংসেই উজ্জ্বল ছিলেন মুশফিক—দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি অপরাজিত থাকেন ৫৩ রানে।

এনএনবাংলা/