সাম্প্রতিক
নভেম্বরে দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমা না চাইলেও একাত্তরের অবস্থান মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী দিল্লিতে শেখ হাসিনা-আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক বাতিল, নেপথ্যে কী? দলের নাম ও প্রতীক দুটোই হাতছাড়া মমতার ব্যবসায়ীদের চাপে ‘গুজরাটের ইলিশ’ আমদানি, জানত না মন্ত্রণালয় বাজারে উধাও ১ লিটারের সয়াবিন, খোলা তেলের দামও চড়া গুমের আন্তর্জাতিক তদন্ত চাওয়া বিএনপি এখন তা চায় না: নাহিদ ইসলাম পাকিস্তানে জ্বালানি সংকট: সরকারি ভোজ নিষিদ্ধ ও বিয়ের দাওয়াতে এক পদ গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৯ মার্চ লবণাক্ততায় হারাচ্ছে সুন্দরবনের ঔষধি গাছ, বিলুপ্তির পথে ভেষজ চিকিৎসা ও জ্ঞান
Skip to content

মিরাজ প্রসঙ্গে যা বললেন বিপিএল কর্তৃপক্ষ

অনলাইন ডেস্ক :

বিপিএলের মাঝে মেহেদি মিরাজকে ঘিরে নাটকীয়তার প্রাথমিক পর্বের পরিসমাপ্তি ঘটেছে গত রোববার। মেহেদি হাসান মিরাজ নেতৃত্ব হারিয়ে এবারের বিপিএল না খেলার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত রোববার বিকালে তিনি টিম হোটেল ছেড়ে গাড়িতে ওঠার চেষ্টাও করেন। কিন্তু ফ্র্যাঞ্চাইজির কর্মকর্তাদের অনুরোধে আবারও ফিরে যান। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) তিনি চট্টগ্রামের হয়ে মাঠেও নেমেছেন। দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে প্রশ্ন, গত ৪৮ ঘণ্টার এই নাটক নিয়ে কী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বিসিবি? চট্টগ্রামের টিম হোটেলের সামনে সেই নাটকীয় মুহূর্তে মিরাজ প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আমাদের মালিকপক্ষ খুব ভালো। তারা কোনো কিছুর সঙ্গে জড়িত নয়। তাদের নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। ইয়াসিরই (চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের সিওও ইয়াসির আলম) মূল কালপ্রিট। ইয়াসির দলে থাকলে আমি খেলব না। ‘ এ ছাড়া দেওয়া একান্ত সাক্ষাতকারেও মিরাজ অধিনাকত্ব হারানোর পেছনে ‘ফিক্সিং’ জাতীয় কিছু থাকার ইঙ্গিত দেন। বিষয়টি নিয়ে সোমবার (৩১ জানুয়ারি) মিরপুর শেরে বাংলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শেখ সোহেল। তিনি জানান, ‘সোমবারই ঘটনাটি শুনলাম। এটা নিয়ে আমরা আলাপ আলোচনা করেছি, আমি ছিলাম, মল্লিক ভাইও ছিল। সবার সঙ্গে কথা বলার পরে আমরা যেটা দেখেছি- মিরাজেরও এখানে ভুল আছে, ম্যানেজমেন্টেরও ভুল আছে। দুই পক্ষই কিন্তু হিসেবে দোষী সাব্যস্ত হয়। টুর্নামেন্ট চলাকালীন মিরাজের মতো জাতীয় এবং উঁচু মানের ক্রিকেটারের এই ভূমিকাটা রাখা ঠিক হয়নি। ‘ শেখ সোহেল আরও বলেন, ‘মিরাজের আরও অপেক্ষা করা উচিত ছিল। যেহেতু আমরা বিসিবির কমিটি ছিলাম, সেখানে সে বলে অপেক্ষা করতে পারত। এখানে ফ্র্যাঞ্চাইজিরও সমস্যা আছে, আমি তাদেরও ছাড় দেব না। তাদের শুনানি হবে কয়েকদিনের মধ্যে। দুই পক্ষকে সাথে নিয়েই আমরা শুনানি করবো। এখানে ফ্র্যাঞ্চাইজিরও ধৈর্য্য ধরা উচিত ছিল। তারা দুই পক্ষই নিজেদের মাঝে আলোচনা করে একটা কিছু করতে পারত। এটা এত বড় পর্যায়ে যাওয়ার জিনিস ছিল না। ‘