সাম্প্রতিক
এআইইউবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. হাসানুল এ. হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আবেদীন ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যু, সেপ্টেম্বরের ১৩ দিনেই ৬০ প্রাণহানি যুক্তরাজ্য ভেঙে দিতে চায় তিন দেশ, ফার্স্ট মিনিস্টারদের চুক্তি বিদ্যুতে লুটপাট: ১৭ বছরে পরিশোধ ২,৮৯,৯৪৯ কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জ! ডাকসুতে জিন্নাহ’র ছবি প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: ঢাবি কর্তৃপক্ষ ঢাকা দক্ষিণে সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিনকে মেয়র প্রার্থী করল জামায়াত ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার হরমুজ বন্ধের খবরে তেলের দাম বাড়ছে হু হু করে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, আতঙ্কে পদদলিত হয়ে শিশুসহ নিহত ৬ টানাপোড়েনের মধ্যেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায় ভারত
Skip to content

মেয়াদ শেষের আগেই ওজিলের চুক্তি বাতিল

অনলাইন ডেস্ক :

একসময় ছিলেন পাদপ্রদীপের আলোয়। এরপর একটু একটু করে আড়াল হতে থাকলেন মেসুত ওজিল। রিয়াল মাদ্রিদ ও আর্সেনালের এই সাবেক মিডফিল্ডার ফের শিরোনামে এসেছেন, কিন্তু সেটাও ভিন্ন কারণে। মেয়াদ ফুরানোর দুই বছর আগেই তার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে ফেনেরবাচ। পারষ্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ফ্রি ট্রান্সফারে টার্কিশ দলটিতে যোগ দিয়েছিলেন ওজিল। ফেনেরবাচের হয়ে ২০২৪ সাল পর্যন্ত খেলার কথা ছিল তার। কিন্তু গত মার্চে দল থেকে ‘বাদ’ পড়ার পর আর ওজিলের শৈশবের ক্লাবটির হয়ে খেলার সুযোগ হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, জার্মান মিডফিল্ডারের নতুন ঠিকানা হচ্ছে ইস্তানবুল বাসাখসেহির। ফেনেরবাচের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নিজের হতাশা আড়াল করেননি ওজিল। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বুধবার লিখেন, “জীবনের অনেক দিকের একটি হচ্ছে- জীবন পুরোপুরি অনিশ্চয়তায় মোড়ানো।” “আমাদের পরিকল্পনা, ইচ্ছে এবং চাওয়া হয়ত সবসময় সোজা পথে চলে না, যেমনটা আমরা চাই। ফেনেরবাচে খেলা সবসময় আমার শৈশবের স্বপ্ন, তাদের জার্সিতে আমি আরও বেশি খেলার সুযোগ পেতে এবং সাফল্য অর্জন করতে চেয়েছিলাম।” বিদায় বেলায় ফেনেরবাচের সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওজিল। দলটির হয়ে সব মিলিয়ে ৩৭ ম্যাচ খেলেছেন। গোল করেছেন ৯টি। ২০১৪ সালে জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ জেতা ওজিল গত মাসে বলেছিলেন, শৈশবের ক্লাব ফেনেরবাচের হয়ে খেলার জন্য ‘ধৈর্যসহ অপেক্ষা’ করার কথা। ‘ছুটি কাটাতে তুরস্কে আসিনি’- এমন কথা বলেছিলেন ইনস্টাগ্রাম পোস্টেও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিদায়ের রাগিনীই বাজল। জুনের শুরুর দিক অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ইসমাইল কারতালের জায়গায় কোচ হিসাবে হোর্হে জেসুসকে দায়িত্ব দেয় ফেনেরবাচ। নিজের প্রথম সংবাদ সম্মেলনেই এই পর্তুগিজ কোচ ওজিলকে মূলত বিদায়ের পথ দেখিয়ে দিয়েছিলেন।