সাম্প্রতিক
আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরও ৪০ জোর করে শিক্ষকের পদত্যাগের বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের ৫০০ টাকার ভারত-মিয়ানমারের ইলিশ ‘পদ্মার’ নামে বিক্রি ১৪০০-১৮০০ টাকায় খালি ‘ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া’ না করে নিজের দেশের চিন্তা করেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফারইস্টের নজরুলের ৫৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির খোঁজে দুদক চাঁদের ছবিতে মার্কিন পতাকা, ট্রাম্প লিখলেন ‘চাঁদ আমাদের’ ঢাকা সিটিতে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, উত্তরে আসিফ মাহমুদ-দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতকে টপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র
Skip to content

একুশে পদক বিজয়ী বিচারপতি কাজী এবাদুল হক আর নেই

সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি ও ভাষা আন্দোলনের কর্মী কাজী এবাদুল হক বার্ধক্যজনিত কারণে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও চার মেয়ে রেখে গেছেন।
আপিল বিভাগের সাবেক এই বিচারপতির মৃত্যুতে শুক্রবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক শোক প্রকাশ করেছেন।
তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
এবাদুল হক ১৯৩৬ সালের ১ জানুয়ারি ফেনীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য ফেনী শহরে ভাষা আন্দোলন সংগঠিত করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি লাভ করে ফেনীতে আইন পেশায় প্রবেশ করেন এবং ১৯৬৬ সালে ঢাকার হাইকোর্টে অ্যাডভোকেট হিসেবে নথিভুক্ত হন।
এবাদুল হক ১৯৯০ সালে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হন এবং বাংলায় রায় প্রদান করে এক অন্যন্য নজির স্থাপন করেন।
১০ বছর হাইকোর্ট বিভাগে থাকার পর তিনি আপিল বিভাগে নিয়োগ পান। কিন্তু এক বছর পর সে বেঞ্চ থেকে অবসর নেন তিনি।
ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে এবাদুল হক একুশে পদকে ভূষিত হন।
তার মেয়ে কাজী জিনাত হক সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি।

—ইউএনবি