সাম্প্রতিক
আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরও ৪০ জোর করে শিক্ষকের পদত্যাগের বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের ৫০০ টাকার ভারত-মিয়ানমারের ইলিশ ‘পদ্মার’ নামে বিক্রি ১৪০০-১৮০০ টাকায় খালি ‘ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া’ না করে নিজের দেশের চিন্তা করেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফারইস্টের নজরুলের ৫৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির খোঁজে দুদক চাঁদের ছবিতে মার্কিন পতাকা, ট্রাম্প লিখলেন ‘চাঁদ আমাদের’ ঢাকা সিটিতে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, উত্তরে আসিফ মাহমুদ-দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতকে টপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র
Skip to content

বিশ্বজিৎ হত্যা: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি বগুড়ায় গ্রেপ্তার

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আলাউদ্দিনকে (৩৫) বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোররাতে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ মোকামতলা বন্দরের শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আলাউদ্দিন পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী থানার ছোট ধাপ গ্রামের হবিবুর রহমানের ছেলে। ২০১২ সালে আলোচিত বিশ্বজিৎ দাস (২২) হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আযহা উদযাপন করতে গত বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে আসেন আলাউদ্দিন। শুক্রবার রাতেই তার বর্তমান কর্মস্থল কক্সবাজারের টেকনাফে চলে যাওয়ার কথা ছিল।

বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী হায়দার চৌধুরী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোর রাতে মোকামতলা বন্দরের বাসিন্দা তার শ্বশুর কাজী নুরুল ইসলামের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রসঙ্গত, আলাউদ্দিন ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) লেখাপড়া করতেন এবং তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১২ সালে আলাউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ওই বছরের ৯ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ডাকা হরতালের সময় বাহাদুর শাহ পার্কের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন দর্জি দোকানের কর্মচারী বিশ্বজিৎ দাস। কোন কারণ ছাড়াই জগন্নাথ বিশ্বিবদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে বিশ্বজিৎকে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিশ্বজিৎ এর ভাই উত্তম দাস ঢাকার সুত্রাপুর থানায় মামলা করেন। মামলা তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করলে ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ২১ জন আসামির মধ্যে আট জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারদণ্ড প্রদান করেন বিচারক।

২১ জন আসামির মধ্যে আট জন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় এবং অপর ১৩ জন ঘটনার পর থেকেই পলাতক। পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পক্ষে আপিল করা হলে হাইকোর্ট দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন এবং চারজনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন সাজা এবং দুই জনকে খালাস প্রদান করেন। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের মধ্যে আলাউদ্দিন একজন। মামলার এজাহারে আলাউদ্দিন ৪ নং আসামি ছিলেন।

—ইউএনবি