সাম্প্রতিক
আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরও ৪০ জোর করে শিক্ষকের পদত্যাগের বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের ৫০০ টাকার ভারত-মিয়ানমারের ইলিশ ‘পদ্মার’ নামে বিক্রি ১৪০০-১৮০০ টাকায় খালি ‘ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া’ না করে নিজের দেশের চিন্তা করেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফারইস্টের নজরুলের ৫৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির খোঁজে দুদক চাঁদের ছবিতে মার্কিন পতাকা, ট্রাম্প লিখলেন ‘চাঁদ আমাদের’ ঢাকা সিটিতে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, উত্তরে আসিফ মাহমুদ-দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতকে টপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র
Skip to content

চীনে কঠোর লকডাউনের কারণে আটকা পড়েছেন ৮০ হাজার পর্যটক

অনলাইন ডেস্ক :

চীনের জনপ্রিয় একটি পর্যটন শহরে ৮০ হাজারের বেশি পর্যটক আটকা পড়েছেন। চীনের হাওয়াই নামে পরিচিত সানিয়া শহরে সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেছে। ফলে সেখানে কঠোর লকডাউন জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণাঞ্চলীয় হাইনান দ্বীপপুঞ্জের সানিয়া শহরে ১০ লাখের বেশি মানুষের বসবাস। সেখানে রোববার নতুন করে ৪৮৩টি কেস শনাক্ত হয়েছে। এদিকে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এমনকি ট্রেনের টিকিট বিক্রিও বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যেসব পর্যটক শহর ছেড়ে যেতে চান তাদের অবশ্যই গত সাতদিনে পিসিআর টেস্টে কমপক্ষে পাঁচটিতে নেগেটিভ ফলাফল দেখাতে হবে। এদিকে যতদিন বিধিনিষেধ শিথিল না হবে ততদিন পর্যটকদের জন্য ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে শহরের হোটেলগুলো। স্থানীয় সময় শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এখন পর্যন্ত চীনই একমাত্র দেশ যারা শূন্য-কোভিড নীতি অনুসরণ করছে। এর আওতায় কঠোর লকডাউন এবং কোয়ারেন্টাইন, গণটেস্টিং, ট্রেসিং চালিয়ে যাচ্ছে তারা। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে দেশটিতে প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে চীন। এখন পর্যন্ত তারা করোনার বিরুদ্ধে কঠোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২০ সালের শুরু থেকে দেশটি দীর্ঘ সময় তাদের সীমান্তও বন্ধ রেখেছিল। এদিকে সানিয়া শহরে এখন পর্যটকদের আনাগোনা বেড়ে গেছে। এর মধ্যেই সেখানে নতুন করে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলো। গত সপ্তাহ থেকেই পাব, বার, স্পাসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে সুপারমার্কেট এবং ফার্মেসির মতো প্রয়োজনীয় সেবা চালু রাখা হয়েছে।