Skip to content

Upcoming
Spain
0-0
Cape Verde
Source: ESPN

পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে লড়াইয়ে উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ মহাসচিব

অনলাইন ডেস্ক :

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলে জাপোরিঝজিয়া পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে লড়াই নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির সাথে এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেছেন। ইউক্রেনের লভিভ শহরে এ বৈঠকের সময় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানে উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছে বিবিসি। “জাপোরিঝজিয়ায় যেকোন সম্ভাব্য ক্ষতিসাধন হবে আত্মঘাতী,” বলে মন্তব্য করেন গুতেরেস।জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্বেগের সাথে ঐকমত্য পোষণ করেন এরদোয়ান। বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন যে আরেকটি চেরনোবিলের মতো বিপর্যয়ের আশঙ্কা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। জাপোরিঝজিয়া পারমাণবিক কেন্দ্র এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ওই কেন্দ্রের কাছের এলাকাগুলোতে তীব্র লড়াই হচ্ছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে। কিয়েভ ও মস্কো এজন্য একে অপরকে দায়ী করছে। ভøাদিমির জেলেনস্কি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রাশিয়ার ইচ্ছাকৃত হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। মস্কোকে ওই পারমাণবিক কেন্দ্রটিকে সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত করার জন্য অভিযুক্ত করা হচ্ছে। লভিভের বৈঠকে তিন নেতাই ওই এলাকাকে বেসামরিক জোনে পরিণত করার জন্য রাশিয়ার প্রতি আহবান জানিয়েছেন। অন্যদিকে রাশিয়া অধিকৃত ক্রিমিয়া উপত্যকায় বেলবেক সামরিক বিমানবন্দরের কাছে বেশ কয়েকটি বড় ধরণের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তবে সেবাস্তপোলের রাশিয়ার মনোনীত গভর্নর মিখাইল রাজভোঝায়েভ বিস্ফোরণে কারও আহত হওয়া বা কোন ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। যদিও বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। রাশিয়ার নির্দেশনায় ইউক্রেনের যেসব স্টাফ এখনো পারমাণবিক কেন্দ্রটিতে কাজ করছেন, তারা ওই কেন্দ্র নিয়ে একটি বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, গত দু সপ্তাহে এটি ধারাবাহিকভাবে সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। টেলিগ্রামে একটি পোস্টে ইউক্রেনের একজন স্টাফ লিখেছেন যে ‘যা হচ্ছে তা ভয়ঙ্কর এবং কমন সেন্স ও নৈতিকতা বিরোধী’। গত বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের একজন সরকারি কর্মকর্তা টুইট করে জানিয়েছেন যে রাশিয়ার কর্মকর্তারা দ্রুত পারমাণবিক কেন্দ্র ত্যাগ করেছেন এবং অপ্রত্যাশিতভাবে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ইউক্রেনের সেন্টার ফর ইনফরমেশন সিকিউরিটির টুইটে বলা হয়েছে, “ইউক্রেনের গোয়েন্দারা বিশ্বাস করেন যে রাশিয়া ওই কেন্দ্র নিয়ে উস্কানিমূলক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে”।