সাম্প্রতিক
নভেম্বরে দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমা না চাইলেও একাত্তরের অবস্থান মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী দিল্লিতে শেখ হাসিনা-আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক বাতিল, নেপথ্যে কী? দলের নাম ও প্রতীক দুটোই হাতছাড়া মমতার ব্যবসায়ীদের চাপে ‘গুজরাটের ইলিশ’ আমদানি, জানত না মন্ত্রণালয় বাজারে উধাও ১ লিটারের সয়াবিন, খোলা তেলের দামও চড়া গুমের আন্তর্জাতিক তদন্ত চাওয়া বিএনপি এখন তা চায় না: নাহিদ ইসলাম পাকিস্তানে জ্বালানি সংকট: সরকারি ভোজ নিষিদ্ধ ও বিয়ের দাওয়াতে এক পদ গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৯ মার্চ লবণাক্ততায় হারাচ্ছে সুন্দরবনের ঔষধি গাছ, বিলুপ্তির পথে ভেষজ চিকিৎসা ও জ্ঞান
Skip to content

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মনোযোগী বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক :

‘সবচেয়ে বড়’ ম্যাচ জিতেই কাজ শেষ হয়ে যায়নি তো? আত্মতুষ্টিতে ভুগতে শুরু করবে না তো বাংলাদেশ দল? পাকিস্তানের বিপক্ষে নারী বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের পর এসব প্রশ্ন স্বাভাবিকই। তবে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জানালেন, আগের ম্যাচের কথা ভুলেই গেছেন তারা। এখন সম্পূর্ণ মনোযোগ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। দুই দলের এটাই প্রথম ওয়ানডে। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক জানিয়েছেন, এর আগে কখনও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে না খেলাটা ইতিবাচকভাবেই দেখছেন তিনি। “আমার মনে হয়, এটা ভালো ব্যাপার। ওরা আমাদের চেনে না, আমরাও ওদের ব্যাপারে কিছু জানি না। এটা একটা সুবিধা হতে পারে। ওরা জানে না, আমরা কীভাবে খেলি। আমরা আমাদের শক্তির জায়গায় আস্থা রেখে খেলব। সেভাবেই পরিকল্পনা করব।” পাকিস্তানকে ৯ রানে হারিয়ে এই ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঘুরে ফিরে সেই ম্যাচের প্রসঙ্গ এলো অনেকবারই। তবে অধিনায়ক জানালেন, ওই ম্যাচ এখন অতীত, তারা তাকিয়ে ভবিষ্যতের দিকে। আগের ম্যাচ নিয়ে আর ভাবতে চান না। “গত ম্যাচটা ছিল অসাধারণ। বিশ্বকাপে প্রথম জয় ছিল দারুণ আনন্দের। আমরা সেই ম্যাচ ভুলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আমরা আগের ম্যাচের প্রাপ্তিগুলো নিতে চাই এবং সেগুলো পরের ম্যাচেও করতে চাই।” “পাকিস্তান ম্যাচ আমরা এরই মধ্যেই ভুলে গেছি। এখন মনোযোগ দিচ্ছি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ নিয়ে। কারণ, প্রথম থেকে আমাদের পরিকল্পনা ছিল, ‘ম্যাচ বাই ম্যাচ’ এগোব। মনোযোগ হয়তো অনেকের অনেক সময় সরে যায়। আমাদের দলের ক্ষেত্রে আমরা ভালো একটা মোমেন্টাম পেয়েছি। সেটার দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছি। ম্যাচ জিতে এসেছি বা ফুরফুরে মেজাজে আছে (দলের সবাই)। যার জন্য আমার মনে হয়, আমরা ইতিবাচকভাবে আরও ভালো করার জন্য রোমাঞ্চিত। কারণ, আমরা জানি এখানে যদি আমরা ভালো করতে পারি, আমাদের ক্রিকেটের জন্য অনেক ভালো হবে এবং ভবিষ্যতে যে প্রজন্ম আসবে তাদের জন্য অনেক অনুপ্ররেণাদায়ক হবে।” কিছু দিন আগে এই মাঠেই বাংলাদেশের ছেলেরা গড়েছিল ইতিহাস। মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে পেয়েছিল দুর্দান্ত এক জয়। মাঠের মূল উইকেট এখনও দেখার সুযোগ হয়নি নিগারের। তবে স্পোর্টিং উইকেট আশা করছেন তিনি। এমন উইকেটে বাংলাদেশের জন্য ভয়ঙ্কর হতে পারে ক্যারিবিয়ানদের উদ্বোধনী জুটি। তবে নিজেদের সামর্থ্েয আস্থা রেখে ডিয়ান্ড্রা ডটিন, হেইলি ম্যাথিউসদের ভালোভাবে সামলানোর ব্যাপারে আশাবাদী অধিনায়ক। “ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কখনও খেলিনি কিন্তু আমরা তাদের খেলা দেখেছি। আমাদের অ্যানালিস্ট কিন্তু চেষ্টা করছেন যত ধরনের তথ্য আছে আমাদের দেওয়ার জন্য। ব্যক্তিগতভাবে ব্যাটাররা যেমন বোলারদের জন্য পরিকল্পনা করছে, বোলাররাও ব্যাটারদের জন্য পরিকল্পনা করছে। তারা হয়তো পাওয়ার ক্রিকেটে বিশ্বাসী। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের বোলারদের যে সামর্থ্য আছে আমরা যদি আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সেরা ক্রিকেটটা খেলতে পারি, মনে হয় যে, ফলাফলটা আমাদের দিকেই আসবে।” একটি জয়ের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে, এখন প্রাপ্তি যত বাড়িয়ে নেওয়া যায়। হাতছানি দিচ্ছে কিছু অর্জনও। ফারজানা হক ওয়ানডেতে হাজার রানের মাইলফলকের সামনে। রুমানা আহমেদের সামনে হাজার রান ও ৫০ উইকেটের ডাবলের সুযোগ। নিগার মনে করেন, নিয়মিত খেলার সুযোগ পেলে এমন আরও অনেক অর্জনই তাদের সামনে ধরা দেবে। “কোয়ালিফাই করার পর কিন্তু আমাদের ভালো করার দরজা খুলে গেছে। সুযোগের অভাবে মেলে ধরতে পারিনি, এখন সেই সুযোগ এসেছে। যত খেলতে থাকব বড় বড় মাইলফলক স্পর্শ করব।”