সাম্প্রতিক
আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরও ৪০ জোর করে শিক্ষকের পদত্যাগের বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের ৫০০ টাকার ভারত-মিয়ানমারের ইলিশ ‘পদ্মার’ নামে বিক্রি ১৪০০-১৮০০ টাকায় খালি ‘ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া’ না করে নিজের দেশের চিন্তা করেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফারইস্টের নজরুলের ৫৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির খোঁজে দুদক চাঁদের ছবিতে মার্কিন পতাকা, ট্রাম্প লিখলেন ‘চাঁদ আমাদের’ ঢাকা সিটিতে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, উত্তরে আসিফ মাহমুদ-দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতকে টপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র
Skip to content

জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায়, যুক্তরাজ্যে বাড়ছে পতিতাবৃত্তি

অনলাইন ডেস্ক :

মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাজ্যে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা। কাউকে-কাউকে রাস্তায় বসেই খদ্দেরের চাহিদা মেটাতে হচ্ছে। শনিবার ব্রিটিশ দাতব্যকর্মীরা এমন তথ্য দিয়েছেন। স্কাই নিউজের খবর বলছে, এসব নারীরা এতোটাই ঝুঁকিতে যে, খদ্দেররা তাদের সঙ্গে সহিংস আচরণ কিংবা নিপীড়নমূলক আবদার করলেও তা না-করতে পারছেন না। জীবন বাঁচাতে তাদের অন্যায় চাহিদাও পূরণ করতে হচ্ছে। যুক্তরাজ্যে রেকর্ডসংখ্যক মূল্যস্ফীতি ঘটেছে। মানুষের মজুরিও কমে গেছে। জ¦ালানিমূল্য ও বিল ক্রমে বাড়তে থাকলে তার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে গ্রাহকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। চলতি গ্রীষ্মে দ্য ইংলিশ কালেকটিভ অব প্রসটিটিউটসে সহায়তা চেয়ে কল আসা এক-তৃতীয়াংশ বেড়েছে। সম্ভাব্য আইন মেনে নিজেদের নিরাপদ রেখে পতিতাবৃত্তিতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে উত্তর লন্ডনভিত্তিক বিভিন্ন হেলপলাইন থেকে। দ্য ইংলিশ কালেকটিভ অব প্রসটিটিউটসের মুখপাত্র নিকি অ্যাডামস বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্নভাবে নারীরা পতিতাবৃত্তির দিকে যাচ্ছেন। রাস্তা, প্রাঙ্গণ ও অনলাইনে তারা যৌনবৃত্তিতে বাধ্য হচ্ছেন। আমরা দেখছি, মানুষ আর কোনো উপায় না-পেয়ে এই কাজে আসতে বাধ্য হচ্ছেন। তিনি আরও জানান, এর অর্থ হচ্ছে, সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে আমরা তাদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হচ্ছি। এতে পতিতাবৃত্তিতে নিয়োজিতদের অবস্থার অবনতি ঘটছে। নারীদের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে যাচ্ছে। চার সন্তানের এক মা বলেন, সরকারের পুরোনো ব্যবস্থার সুবিধাভোগী থেকে ইউনিভার্সাল ক্রেডিটে যাওয়ার কারণে হাজার হাজার পাউন্ড হারিয়েছেন তিনি। কর্মসংস্থান হারিয়ে তিনি বিভিন্ন বিল দিতে পারছিলেন না। যে কারণে রাস্তায় বসেই তাকে পতিতাবৃত্তি করতে হয়েছে। তিনি জানান, বাড়ির ভেতরে বসে পতিতাবৃত্তির করার মতো অবস্থা তার ছিল না। যে কারণে রাস্তায় নেমে আসতে হয়েছে তাকে। কিন্তু বাড়িতে বসে কাজ করতে পারা খুবই নিরাপদ। তার কাছে অর্থই এখন জীবনরক্ষাকারী বলে তিনি মন্তব্য করেন। ওই নারী জানান, বর্তমান পরিস্থিতির কথা তার সাবেক নিপীড়ক জীবনসঙ্গী যদি জানতে পারেন, তাহলে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে চেষ্টা করবেন।