সাম্প্রতিক
জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই চড়া নিত্যপণ্যের বাজার পাকিস্তান সফর কবে যাবেন, সাংবাদিকদের প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: পুলিশ সৌদি-হুতি সংঘাত: রিয়াদে যাচ্ছেন পাকিস্তান-তুরস্কের সেনাপ্রধান, যুদ্ধের প্রস্তুতি? চুয়েটে নতুন ভিসিকে ‘প্রত্যাখ্যান’, রোববার থেকে শিক্ষকদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ মৃত্যু অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন জাতিসংঘে জাইমা রহমানের নিয়োগ: লিগ্যাল অফিসার পদটির কাজ কী? চীনের প্রেসিডেন্টকে নৈশভোজে কী খাওয়ালেন ট্রাম্প, অতিথি ছিলেন প্রযুক্তি দুনিয়ার মহারথীরা হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের ৭ দিনের পরিকল্পনায় কী আছে
Skip to content

নতুন তথ্যচিত্র নিয়ে আসছে লিটন কর

অনলাইন ডেস্ক :

লিটন কর মূলত চিত্রশিল্পী। নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন বিভিন্ন চলচ্চিত্রে বিভিন্ন শাখায়, চলচ্চিত্রের শিল্প নির্দেশনা, প্রোডাকশন ডিজাইন থেকে শুরু করে পোস্টার ডিজাইন সব কাজেই ছিলেন নিবিড়ভাবে। ‘আই.সি.ইউ’ নামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেছেন সম্প্রতি। ছবিটি দেশের বিশিষ্ট সংস্কৃতিজনদের জন্য বিশেষ প্রদর্শনী এবং বিদেশের প্রায় ১৫ টি চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত ও পুরস্কৃত হয়েছে। এবার লিটন কর নির্মাণ করলেন তথ্যচিত্র ‘ভাসানচর অপারেশন’। এই ছবিতে মূলত ভাসান চরে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কার্যক্রমের সাথে কক্সবাজার থেকে আগত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে তুলে ধরা হয়েছে।

লিটন কর বলেন, ‘এই কাজটি করার পেছনে আমার অনুপ্রেরণা ছিল বাংলাদেশী জনগণ এবং বাংলাদেশ সরকার কতটা আত্মীয়তা পরায়ন সে দিকটিকে তুলে ধরা, সেই সাথে বিদেশিদের মনে ও মগজে বন্যা কবলিত বাংলাদেশের যে ছবি রয়েছে সেটিকে বদলে দেয়া, এই ছবিটিতে আমরা দেখাতে চেয়েছি বাংলাদেশ শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগই মোকাবেলা করেনা বাংলাদেশের রয়েছে গর্ব করার মতো মেধাবী জনগোষ্ঠী এবং সেই সাথে আমাদের রয়েছে অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে অসংখ্য সম্ভাবনাময়ী ভূমি। আইএফআরসি এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ আমাকে এবং আমার টিমকে এরকম একটি কাজের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য, সাধারণত যে ধরনের ডকুমেন্টরি হয় সে রাস্তায় না গিয়ে একটি সিনেমাটিক ডকুমেন্টারি নির্মাণের চেষ্টা ছিল আমাদের পুরো টিমের। এ ধরনের কাজ আমি রেগুলার করতে চাই।

সিনেমা এবং সিনেমা সম্পর্কিত কাজেই এখন সব ফোকাস আমার, নিজের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের পথেই হাঁটছি আমি।’ ৮ মিনিট ৪০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যরে এই তথ্যচিত্রটির চিত্রগ্রাহক হিসেবে ছিলেন মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান, লোকেশন সাউন্ড করেছেন নাহিদ মাসুদ, মিউজিক করেছেন রাশেদ শরীফ শোয়েব এবং সাউন্ড ডিজাইনে ছিলেন রাজেশ সাহা। এটির এজেন্সি ছিল উইন্ডব্লোজ কমিউনিকেশন।